রাস্তার শেষে পুরনো বেকারিটি দাঁড়িয়ে। বুননি চোখ বুজে তার পাশ দিয়ে হাঁটে। জানালার ভেতর থেকে হঠাৎ ছপছপ শব্দ আসে।
বুননি চোখ মেলে জানালার দিকে তাকায়। ছোট্ট শিশু ময়দার মিশ্রণে ডুবে উঠছে-নামছে। বুননি দরজার দিকে ছুটে যায়।
বুননি দরজা ঠেলে ভেতরে ঢোকে এবং শিশুটির দিকে হাত বাড়ায়। মেঝেতে ময়দা ছড়িয়ে—ফুসফুস! বুননি পিছলে পড়ে যায়।
বুননি উঠে দাঁড়ায়। সে একটি কাঠের তক্তা টেনে শিশুটির কাছে নিয়ে যায়। শিশুটি তক্তাটি আঁকড়ে ধরে।
বেকারির মালিক চিৎকার করেন, “ধরো!” বুননি তক্তাটি টানতে থাকে। গরম রুটির গন্ধে ঘর ভরে যায়।
বুননি শেষ জোরে তক্তাটি টানে। শিশুটি ময়দার পাত্র থেকে বেরিয়ে আসে। পুফ! ময়দা উড়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
শিশুটি কাশতে কাশতে বুননির গায়ে ময়দার ছাপ লাগায়। বুননি হাঁপাতে হাঁপাতে হেসে ফেলে। মালিক দুজনকে জড়িয়ে ধরেন।
বেকারির মালিক বুননির হাতে ধোঁয়া ওঠা বড় রুটি তুলে দেন। বুননি নরম খোসায় থাবা রাখে। শিশুটি পাশে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ে।